ভারতে/বাংলায় মেডিসিনে নারীর প্রবেশ
৳175
বই সম্পর্কে
বাংলা ভাষায় প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস চর্চা (প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস) এবং, বিশেষ করে, মেডিসিন শিক্ষার জগতে নারীর প্রবেশ নিয়ে আলোচনা মূল ধারার ইতিহাসের চর্চার তুলনায় লক্ষ্যণীয়ভাবে কম স্থান পেয়েছে। শিক্ষাগ্রহণ শুধুমাত্র শিক্ষাঙ্গনে প্রবেশের পথ হলনা, নারীর নতুন অস্তিত্ব তৈরির সহায়ক শক্তি হয়ে উঠল এবং সমাজকেও প্রভাবিত করতে শুরু করল। এতদিন পুরুষের চোখ দিয়ে নারী তথা সমাজকে দেখাই একমাত্র সত্যি বলে ধরা হচ্ছিল। এখন নারীর চোখ দিয়ে পুরুষ তথা সমাজকে দেখার নতুন স্পেস তথা পরিসর তৈরি হল। এখানেই গোল বাঁধলো রক্ষণশীল সমাজের সাথে। নারীর চোখ দিয়ে কেন পুরুষকে দেখা হবে? এরই প্রসারিত রূপ আমরা দেখব কাদম্বিনীর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি নিয়ে যে প্রবল বিরোধ এবং সংঘাত তার মাঝে। বিভিন্ন দলিল দস্তাবেজে এর কাহিনী ধরা আছে। কিন্তু এর মাঝে অন্তর্লীন যে স্রোত প্রবাহিত ছিল সেটা দলিলে ধরা পড়েনা। আমাদের বুঝে নিতে হয়। এজন্য মেডিক্যাল কলেজের ইতিহাস শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস নয়। এর সাথে পরতেপরতে জুড়ে আছে সে সময়ের জাতীয়-আন্তর্জাতিক, সামাজিক-অর্থনৈতিক ঘটনা, শহর কলকাতার চলমান জীবনালেখ্য। প্রতিষ্ঠান-অতিরিক্ত অনেক ইতিহাস।
লেখক পরিচিতি
জয়ন্ত ভট্টাচার্য ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজের স্নাতক। পরবর্তীতে হিস্টরি অফ মেডিসিন নিয়ে পিএইচডি করেছেন। Asian Society for the History Medicine-এর তরফে “Honorable Mention for an Outstanding Essay”-র সম্মান লাভ করেছেন। Bulletin of the WHO, Nature, Social History of Medicine, Orientalistische Literaturzeitung, Indian Journal of Medical Ethics এবং Indian Journal of History of Science, Medical Humanities সহ একাধিক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক জার্নালের রিভিউয়ার। প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা প্রায় ৫০টি। বাংলায় প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা একইসঙ্গে ৯টি। স্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মী এবং গবেষক।